
Authored By:
শুধু বর্ষার নয়, ডেঙ্গি এখন কার্যত সারা বছরের রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত মশার বাড়বাড়ন্তে লাগাম পরাতে চাইছে স্বাস্থ্য দপ্তর। যে কারণে সব জেলায় মশার প্রজনন স্থলগুলি নষ্ট করার কাজ নভেম্বর পর্যন্ত চালাতে হবে বলে সোমবারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এ বছরের শুরু থেকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫,৫২১। যে এলাকাগুলিতে রোগী বেশি, সেগুলিকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এই তালিকায় আছে রাজ্যের ৮৫টি ব্লক, ২৫৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ২৯টি পুর এলাকা। পঞ্চায়েত এলাকাগুলির ৭০ শতাংশই মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হুগলি জেলার। পুর এলাকায় ডেঙ্গির নিরিখে উপরের দিকে রয়েছে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলি। স্বাস্থ্য ভবন এগুলিকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।